‘ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’—প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড ও বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বুড়িচং আনন্দ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তানভীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যোবায়ের হাসান, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন, বুড়িচং ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মো. জহিরুল ইসলাম, স্টেশন মাস্টার আতাউর রহমান, বুড়িচং প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম, বুড়িচং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. তাজুল ইসলাম ও মো. ইসমাইলসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।আলোচনা সভায় ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড ও বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে করণীয় বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি দুর্যোগের সময় জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যক্তিগত সচেতনতা, পারিবারিক প্রস্তুতি ও সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।র্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে শিক্ষার্থীসহ উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে দুর্যোগের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ জীবনযাপনে প্রস্তুতি গ্রহণের বার্তা দেওয়া হয়।
আন্তর্জাতিক
আর্কাইভ
অনলাইন জরিপ
প্রদর্শন শালা (ভিডিও)
আর্কাইভ
‘ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’—প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড ও বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বুড়িচং আনন্দ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তানভীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যোবায়ের হাসান, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন, বুড়িচং ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মো. জহিরুল ইসলাম, স্টেশন মাস্টার আতাউর রহমান, বুড়িচং প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম, বুড়িচং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. তাজুল ইসলাম ও মো. ইসমাইলসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।আলোচনা সভায় ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড ও বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে করণীয় বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি দুর্যোগের সময় জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যক্তিগত সচেতনতা, পারিবারিক প্রস্তুতি ও সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।র্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে শিক্ষার্থীসহ উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে দুর্যোগের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ জীবনযাপনে প্রস্তুতি গ্রহণের বার্তা দেওয়া হয়।
কুমিল্লার দেবীদ্বারে নানীর বাড়িতে বেড়াতে এসে সড়কে প্রাণ গেল আরমান হোসেন নামে এক যুবকের।ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ৬টায় কুমিল্লা- সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার উপজেলার চরবাকর বাস ষ্ট্যাশন সংলগ্ন অটো ব্রীকস ফিল্ডের সামনে।কোম্পানীগঞ্জগামী যাত্রিবাহী একটি সিএনজি চালিত অটো রিক্সাকে কুমিল্লামুখী অকটি দ্রুতগামী ট্রাকের ধাক্কায় ওই সিএনজিটি সিটকেপড়ে দূর্ঘটনা ঘটে। দূর্টনায় যাত্রী আরমান ঘটনাস্থলে নিহত হন এবং অজ্ঞাত চালক আহত হন।দূর্ঘটনার পর প্রায় ৪ ঘন্টা সড়ক অবরোধ থাকায় সড়কের দু’পাশে শত শত জান ও মাল পরিবহন আটকে যাওয়ায় সাধারন যাত্রীরা দূর্ভোগে পড়েন। সকাল ১০ টায় দেবীদ্বার থানাপুলিশ ঘটনাস্থলে যেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।নিহত আরমান হোসেন (২৪) সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার ফতেহপুর গ্রামের ফখরুল ইসলামের পুত্র। আরমান পেশায় একজন হোন্ডা মিকানিক্স ছিলেন।পুলিশ ও স্বজনরা জানান, আরমানের নানার বাড়ি দেবীদ্বার পৌর এলাকার ভিংলাবাড়ি গ্রামে। নিহত আরমান সিলেট থেকে ট্রেনযোগে কুমিল্লা আসেন, কুমিল্লা থেকে সিএনজি যোগে নানার বাড়ি আসার পথে চরবাকর এলাকায় এ দূর্ঘটনায় আরমান নিহত হন।আরমানের নানী রাবেয়া খাতুন (৭০) লাশের পাশে বসে কন্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি জানান, তার স্বামী, পুত্র নেই। ২ মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়। তার ভরন পোষন করতেন নাতী আরমান। শেষ ভরসাটাও শেষ হয়ে গেল। তিনি আরো জানান, তার নাতী আরমানের ৩ বছর বয়সী আরিয়ান নামে এক পুত্র সন্তান রয়েছে। নাতবৌ স্বপ্না বর্তমানে ৭ মাসের গর্ভবতী। এ ব্যাপারে মীরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনিসুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ এবং দূর্ঘটনায় কবলিত সিএনজিটি উদ্ধার করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
জ্ঞান বাড়াও, সমাজ গড়ো এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে কুমিল্লা সদর উপজেলার অরণ্যপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরন বিতরণও ক্রিড়া সামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠান গত ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটনএর সভাপতিত্বেঅনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সুশাসনের জন্য নাগরিক কুমিল্লার সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব শাহ মো. আলমগীর খান, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক আবুল বাসার খান, অরণ্যপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি শরিফ উদ্দিন আহম্মেদ, আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো: আবদুস সামাদ। আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী কাজী মহিবুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অরণ্যপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মৎ কামরুনাহার। শাহ মো. আলমগীর খান বলেন, শিক্ষা সামগ্রী উপহার দেওয়া মানে হলো একজন ব্যক্তিকে নতুন কিছু শেখার সুযোগ করে দেওয়া। শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করতে পারে, তার চিন্তাভাবনায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।মো: মহিউদ্দিন লিটন বলেন, নিজেকে পরিবর্তন করার জন্য সু-শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। মাতৃভূমি ও মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা জাগ্রত হয় এমন শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। সফল নাগরিক হওয়ার জন্য এখনি প্রস্তুতি নেওয়ার সময়। ভালো ফলাফলের পাশাপাশি ভালো মানুষ হতে হবে। মো: আবদুস সামাদ বলেন, শিক্ষা মানুষকে ভালো- মন্দের পার্থক্য করতে শেখায়। মানুষকে প্রকৃত মানুষ হতে শেখায়। তোমরা ও উচ্চশিক্ষিত হয়ে দেশ ও সমাজের মঙ্গলে কাজ করবে। তোমাদের পাশে আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশন আগামী দিনে থাকবে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজ সেবক শরিফ হোসেন, রাসেল সরকার, শফিউল বাসার খান, আবদুল কাদের বাবুল, আলমগীর হোসেন, মো. রনি হোসেন, মো. রবিউল আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের সদস্য ইব্রাহিম হাসান, আজিজুল ইসলাম, আবদুল কাদের জিলানী, অরণ্যপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক মোসাম্মঃ নাজমিন আক্তার, সুলতানা ফরিদা তাজমিন, মো. মাইনুল রশিদ,ফাহিমা ফারহানাসহ সকল শিক্ষার্থীরা।আলোচনা সভা শেষে সকল শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ব্যাগ, পেন্সিল, খাতাও কলম, জ্যামিতি বক্স, চিত্রাংকন খাতা. ড্রইয়ং পেন্সিল উপহার দেওয়া হয়। এ ছাড়া ও খেলাধুলার জন্য ফুটবল, কেরামবোর্ড, লুডু, দড়িলাফানি দেওয়া হয়।
কুমিল্লা মহানগরীর কান্দিরপাড় এলাকায় মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ভোক্তাদের প্রতারিত করা এবং খাদ্যপণ্যে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়ার নেতৃত্বে কান্দিরপাড় এলাকার বিভিন্ন ফুচকার দোকান, মিষ্টি ও কনফেকশনারি এবং শিশুখাদ্যের প্রতিষ্ঠানে এই তদারকি অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযান সূত্রে জানা যায়, কান্দিরপাড়ের 'দ্য প্রিমিয়াম স্ট্রিট ফুড বাই পিহু' নামক একটি প্রতিষ্ঠান "৯৯ টাকায় আনলিমিটেড ফুচকা" দেওয়ার মিথ্যা বিজ্ঞাপন প্রচার করে আসছিল। সরেজমিনে খেতে এসে সাধারণ ভোক্তারা প্রতারিত হচ্ছেন—এমন খবরের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এছাড়া মিষ্টির মূল্য তালিকা না রাখা, বিদেশি পণ্যে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য (এমআরপি) উল্লেখ না থাকা এবং জন্মদিনের কেকে উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদ না থাকার অপরাধে 'প্রিমিয়াম সুইটস'কে ২০ হাজার টাকা এবং 'পিপাসা কনফেকশনারি'কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া জানান, ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৭ ও ৪৪ ধারা অনুযায়ী ৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ২৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং ভেজাল ও অনিয়ম প্রতিরোধে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।অভিযানে নিরাপত্তা ও সার্বিক সহায়তায় ছিল কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম, জেলা স্যানিটেশন পরিদর্শক এবং ভোক্তা অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।আজ ২৭ সেপ্টেম্বর (রবিবার) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের আদর্শ সদর ও বুড়িচং উপজেলা এলাকায় এই তদারকিমূলক অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযান সূত্রে জানা যায়, আদর্শ সদর উপজেলার আমতলী বিশ্বরোড এলাকায় অতিরিক্ত দামে খাদ্যপণ্য বিক্রি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ বা তারিখবিহীন রসমালাই ও অন্যান্য খাবার বিক্রির অপরাধে 'কাকলি হোটেল অ্যান্ড সুইটস'-কে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অন্যদিকে, বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রসমালাই, মিষ্টিসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী তৈরি ও বিক্রির অপরাধে 'মাতৃভান্ডার সুইটস লি.'-কে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী এই জরিমানা আদায় করা হয়।অভিযানের নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া। তিনি জানান, জনস্বার্থে ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে মহাসড়ক সংলগ্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলোতে অধিদপ্তরের এই অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।অভিযানকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক সহযোগিতায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি বিশেষ টিম উপস্থিত ছিল।
স্পেনের সরকার উত্তর আফ্রিকার উপকূলীয় অঞ্চল সেউতা (Ceuta) থেকে অভিবাসী শিশুদের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মূল ভূখণ্ডে স্থানান্তরের আশা করছে। অতিরিক্ত চাপের মুখে থাকা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর সংকট কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্পেনের যুবমন্ত্রী সিরা রেগো শুক্রবার জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত সেউতায় ১ হাজার ৩৪২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিবাসীকে নিবন্ধন করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। গত ৩০ জুলাই মরক্কো থেকে স্থল ও সমুদ্রপথে বিপুলসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করে। স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়। পরে অধিকাংশ মানুষ ফিরে গেলেও শত শত অভিভাবকহীন শিশু সেউতায় রয়ে যায়। সিরা রেগো বলেন, “শিশুদের সেউতা থেকে মূল ভূখণ্ডে নিয়ে গিয়ে আশ্রয় দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে কয়েক সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে না।” তিনি জানান, অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে মেয়েশিশু এবং ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের। তিনি আরও বলেন, সেউতার রাস্তায় শিশুদের কষ্টকর অবস্থার ছবি “বেদনাদায়ক”। বর্তমানে সেখানে দুটি স্কুল চালু করা হয়েছে এবং আরও কিছু স্থানকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এদিকে মরক্কো জানিয়েছে, সেউতায় প্রবেশ করা অভিভাবকহীন শিশুদের ফিরিয়ে নিতে স্পেন ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তারা। তবে স্পেন জানিয়েছে, প্রতিটি শিশুর বিষয় আলাদাভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং শিশুদের অধিকার ও সর্বোত্তম স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেউতার স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তাদের সীমিত আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৯০ জন শিশুকে রাখার সক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেখানে প্রায় ১ হাজার ১০০ জন অভিভাবকহীন শিশু অবস্থান করছে। ছবি: রয়টার্স
প্রদর্শন শালা (ভিডিও)
স্পেনের সরকার উত্তর আফ্রিকার উপকূলীয় অঞ্চল সেউতা (Ceuta) থেকে অভিবাসী শিশুদের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মূল ভূখণ্ডে স্থানান্তরের আশা করছে। অতিরিক্ত চাপের মুখে থাকা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর সংকট কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্পেনের যুবমন্ত্রী সিরা রেগো শুক্রবার জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত সেউতায় ১ হাজার ৩৪২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিবাসীকে নিবন্ধন করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। গত ৩০ জুলাই মরক্কো থেকে স্থল ও সমুদ্রপথে বিপুলসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করে। স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়। পরে অধিকাংশ মানুষ ফিরে গেলেও শত শত অভিভাবকহীন শিশু সেউতায় রয়ে যায়। সিরা রেগো বলেন, “শিশুদের সেউতা থেকে মূল ভূখণ্ডে নিয়ে গিয়ে আশ্রয় দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে কয়েক সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে না।” তিনি জানান, অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে মেয়েশিশু এবং ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের। তিনি আরও বলেন, সেউতার রাস্তায় শিশুদের কষ্টকর অবস্থার ছবি “বেদনাদায়ক”। বর্তমানে সেখানে দুটি স্কুল চালু করা হয়েছে এবং আরও কিছু স্থানকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এদিকে মরক্কো জানিয়েছে, সেউতায় প্রবেশ করা অভিভাবকহীন শিশুদের ফিরিয়ে নিতে স্পেন ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তারা। তবে স্পেন জানিয়েছে, প্রতিটি শিশুর বিষয় আলাদাভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং শিশুদের অধিকার ও সর্বোত্তম স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেউতার স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তাদের সীমিত আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৯০ জন শিশুকে রাখার সক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেখানে প্রায় ১ হাজার ১০০ জন অভিভাবকহীন শিশু অবস্থান করছে। ছবি: রয়টার্স
স্পেনের সরকার উত্তর আফ্রিকার উপকূলীয় অঞ্চল সেউতা (Ceuta) থেকে অভিবাসী শিশুদের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মূল ভূখণ্ডে স্থানান্তরের আশা করছে। অতিরিক্ত চাপের মুখে থাকা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর সংকট কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্পেনের যুবমন্ত্রী সিরা রেগো শুক্রবার জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত সেউতায় ১ হাজার ৩৪২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিবাসীকে নিবন্ধন করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। গত ৩০ জুলাই মরক্কো থেকে স্থল ও সমুদ্রপথে বিপুলসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করে। স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়। পরে অধিকাংশ মানুষ ফিরে গেলেও শত শত অভিভাবকহীন শিশু সেউতায় রয়ে যায়। সিরা রেগো বলেন, “শিশুদের সেউতা থেকে মূল ভূখণ্ডে নিয়ে গিয়ে আশ্রয় দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে কয়েক সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে না।” তিনি জানান, অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে মেয়েশিশু এবং ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের। তিনি আরও বলেন, সেউতার রাস্তায় শিশুদের কষ্টকর অবস্থার ছবি “বেদনাদায়ক”। বর্তমানে সেখানে দুটি স্কুল চালু করা হয়েছে এবং আরও কিছু স্থানকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এদিকে মরক্কো জানিয়েছে, সেউতায় প্রবেশ করা অভিভাবকহীন শিশুদের ফিরিয়ে নিতে স্পেন ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তারা। তবে স্পেন জানিয়েছে, প্রতিটি শিশুর বিষয় আলাদাভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং শিশুদের অধিকার ও সর্বোত্তম স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেউতার স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তাদের সীমিত আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৯০ জন শিশুকে রাখার সক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেখানে প্রায় ১ হাজার ১০০ জন অভিভাবকহীন শিশু অবস্থান করছে। ছবি: রয়টার্স
স্পেনের সরকার উত্তর আফ্রিকার উপকূলীয় অঞ্চল সেউতা (Ceuta) থেকে অভিবাসী শিশুদের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মূল ভূখণ্ডে স্থানান্তরের আশা করছে। অতিরিক্ত চাপের মুখে থাকা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর সংকট কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্পেনের যুবমন্ত্রী সিরা রেগো শুক্রবার জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত সেউতায় ১ হাজার ৩৪২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিবাসীকে নিবন্ধন করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। গত ৩০ জুলাই মরক্কো থেকে স্থল ও সমুদ্রপথে বিপুলসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করে। স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়। পরে অধিকাংশ মানুষ ফিরে গেলেও শত শত অভিভাবকহীন শিশু সেউতায় রয়ে যায়। সিরা রেগো বলেন, “শিশুদের সেউতা থেকে মূল ভূখণ্ডে নিয়ে গিয়ে আশ্রয় দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে কয়েক সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে না।” তিনি জানান, অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে মেয়েশিশু এবং ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের। তিনি আরও বলেন, সেউতার রাস্তায় শিশুদের কষ্টকর অবস্থার ছবি “বেদনাদায়ক”। বর্তমানে সেখানে দুটি স্কুল চালু করা হয়েছে এবং আরও কিছু স্থানকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এদিকে মরক্কো জানিয়েছে, সেউতায় প্রবেশ করা অভিভাবকহীন শিশুদের ফিরিয়ে নিতে স্পেন ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তারা। তবে স্পেন জানিয়েছে, প্রতিটি শিশুর বিষয় আলাদাভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং শিশুদের অধিকার ও সর্বোত্তম স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেউতার স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তাদের সীমিত আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৯০ জন শিশুকে রাখার সক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেখানে প্রায় ১ হাজার ১০০ জন অভিভাবকহীন শিশু অবস্থান করছে। ছবি: রয়টার্স
স্পেনের সরকার উত্তর আফ্রিকার উপকূলীয় অঞ্চল সেউতা (Ceuta) থেকে অভিবাসী শিশুদের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মূল ভূখণ্ডে স্থানান্তরের আশা করছে। অতিরিক্ত চাপের মুখে থাকা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর সংকট কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্পেনের যুবমন্ত্রী সিরা রেগো শুক্রবার জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত সেউতায় ১ হাজার ৩৪২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিবাসীকে নিবন্ধন করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। গত ৩০ জুলাই মরক্কো থেকে স্থল ও সমুদ্রপথে বিপুলসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করে। স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়। পরে অধিকাংশ মানুষ ফিরে গেলেও শত শত অভিভাবকহীন শিশু সেউতায় রয়ে যায়। সিরা রেগো বলেন, “শিশুদের সেউতা থেকে মূল ভূখণ্ডে নিয়ে গিয়ে আশ্রয় দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে কয়েক সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে না।” তিনি জানান, অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে মেয়েশিশু এবং ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের। তিনি আরও বলেন, সেউতার রাস্তায় শিশুদের কষ্টকর অবস্থার ছবি “বেদনাদায়ক”। বর্তমানে সেখানে দুটি স্কুল চালু করা হয়েছে এবং আরও কিছু স্থানকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এদিকে মরক্কো জানিয়েছে, সেউতায় প্রবেশ করা অভিভাবকহীন শিশুদের ফিরিয়ে নিতে স্পেন ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তারা। তবে স্পেন জানিয়েছে, প্রতিটি শিশুর বিষয় আলাদাভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং শিশুদের অধিকার ও সর্বোত্তম স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেউতার স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তাদের সীমিত আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৯০ জন শিশুকে রাখার সক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেখানে প্রায় ১ হাজার ১০০ জন অভিভাবকহীন শিশু অবস্থান করছে। ছবি: রয়টার্স
স্পেনের সরকার উত্তর আফ্রিকার উপকূলীয় অঞ্চল সেউতা (Ceuta) থেকে অভিবাসী শিশুদের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মূল ভূখণ্ডে স্থানান্তরের আশা করছে। অতিরিক্ত চাপের মুখে থাকা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর সংকট কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্পেনের যুবমন্ত্রী সিরা রেগো শুক্রবার জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত সেউতায় ১ হাজার ৩৪২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিবাসীকে নিবন্ধন করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। গত ৩০ জুলাই মরক্কো থেকে স্থল ও সমুদ্রপথে বিপুলসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করে। স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়। পরে অধিকাংশ মানুষ ফিরে গেলেও শত শত অভিভাবকহীন শিশু সেউতায় রয়ে যায়। সিরা রেগো বলেন, “শিশুদের সেউতা থেকে মূল ভূখণ্ডে নিয়ে গিয়ে আশ্রয় দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে কয়েক সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে না।” তিনি জানান, অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে মেয়েশিশু এবং ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের। তিনি আরও বলেন, সেউতার রাস্তায় শিশুদের কষ্টকর অবস্থার ছবি “বেদনাদায়ক”। বর্তমানে সেখানে দুটি স্কুল চালু করা হয়েছে এবং আরও কিছু স্থানকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এদিকে মরক্কো জানিয়েছে, সেউতায় প্রবেশ করা অভিভাবকহীন শিশুদের ফিরিয়ে নিতে স্পেন ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তারা। তবে স্পেন জানিয়েছে, প্রতিটি শিশুর বিষয় আলাদাভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং শিশুদের অধিকার ও সর্বোত্তম স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেউতার স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তাদের সীমিত আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৯০ জন শিশুকে রাখার সক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেখানে প্রায় ১ হাজার ১০০ জন অভিভাবকহীন শিশু অবস্থান করছে। ছবি: রয়টার্স
স্পেনের সরকার উত্তর আফ্রিকার উপকূলীয় অঞ্চল সেউতা (Ceuta) থেকে অভিবাসী শিশুদের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মূল ভূখণ্ডে স্থানান্তরের আশা করছে। অতিরিক্ত চাপের মুখে থাকা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর সংকট কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্পেনের যুবমন্ত্রী সিরা রেগো শুক্রবার জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত সেউতায় ১ হাজার ৩৪২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিবাসীকে নিবন্ধন করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। গত ৩০ জুলাই মরক্কো থেকে স্থল ও সমুদ্রপথে বিপুলসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করে। স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়। পরে অধিকাংশ মানুষ ফিরে গেলেও শত শত অভিভাবকহীন শিশু সেউতায় রয়ে যায়। সিরা রেগো বলেন, “শিশুদের সেউতা থেকে মূল ভূখণ্ডে নিয়ে গিয়ে আশ্রয় দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে কয়েক সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে না।” তিনি জানান, অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে মেয়েশিশু এবং ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের। তিনি আরও বলেন, সেউতার রাস্তায় শিশুদের কষ্টকর অবস্থার ছবি “বেদনাদায়ক”। বর্তমানে সেখানে দুটি স্কুল চালু করা হয়েছে এবং আরও কিছু স্থানকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এদিকে মরক্কো জানিয়েছে, সেউতায় প্রবেশ করা অভিভাবকহীন শিশুদের ফিরিয়ে নিতে স্পেন ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তারা। তবে স্পেন জানিয়েছে, প্রতিটি শিশুর বিষয় আলাদাভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং শিশুদের অধিকার ও সর্বোত্তম স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেউতার স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তাদের সীমিত আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৯০ জন শিশুকে রাখার সক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেখানে প্রায় ১ হাজার ১০০ জন অভিভাবকহীন শিশু অবস্থান করছে। ছবি: রয়টার্স
আর্কাইভ
‘ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’—প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড ও বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বুড়িচং আনন্দ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তানভীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যোবায়ের হাসান, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন, বুড়িচং ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মো. জহিরুল ইসলাম, স্টেশন মাস্টার আতাউর রহমান, বুড়িচং প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম, বুড়িচং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. তাজুল ইসলাম ও মো. ইসমাইলসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।আলোচনা সভায় ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড ও বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে করণীয় বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি দুর্যোগের সময় জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যক্তিগত সচেতনতা, পারিবারিক প্রস্তুতি ও সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।র্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে শিক্ষার্থীসহ উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে দুর্যোগের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ জীবনযাপনে প্রস্তুতি গ্রহণের বার্তা দেওয়া হয়।
কুমিল্লার দেবীদ্বারে নানীর বাড়িতে বেড়াতে এসে সড়কে প্রাণ গেল আরমান হোসেন নামে এক যুবকের।ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ৬টায় কুমিল্লা- সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার উপজেলার চরবাকর বাস ষ্ট্যাশন সংলগ্ন অটো ব্রীকস ফিল্ডের সামনে।কোম্পানীগঞ্জগামী যাত্রিবাহী একটি সিএনজি চালিত অটো রিক্সাকে কুমিল্লামুখী অকটি দ্রুতগামী ট্রাকের ধাক্কায় ওই সিএনজিটি সিটকেপড়ে দূর্ঘটনা ঘটে। দূর্টনায় যাত্রী আরমান ঘটনাস্থলে নিহত হন এবং অজ্ঞাত চালক আহত হন।দূর্ঘটনার পর প্রায় ৪ ঘন্টা সড়ক অবরোধ থাকায় সড়কের দু’পাশে শত শত জান ও মাল পরিবহন আটকে যাওয়ায় সাধারন যাত্রীরা দূর্ভোগে পড়েন। সকাল ১০ টায় দেবীদ্বার থানাপুলিশ ঘটনাস্থলে যেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।নিহত আরমান হোসেন (২৪) সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার ফতেহপুর গ্রামের ফখরুল ইসলামের পুত্র। আরমান পেশায় একজন হোন্ডা মিকানিক্স ছিলেন।পুলিশ ও স্বজনরা জানান, আরমানের নানার বাড়ি দেবীদ্বার পৌর এলাকার ভিংলাবাড়ি গ্রামে। নিহত আরমান সিলেট থেকে ট্রেনযোগে কুমিল্লা আসেন, কুমিল্লা থেকে সিএনজি যোগে নানার বাড়ি আসার পথে চরবাকর এলাকায় এ দূর্ঘটনায় আরমান নিহত হন।আরমানের নানী রাবেয়া খাতুন (৭০) লাশের পাশে বসে কন্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি জানান, তার স্বামী, পুত্র নেই। ২ মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়। তার ভরন পোষন করতেন নাতী আরমান। শেষ ভরসাটাও শেষ হয়ে গেল। তিনি আরো জানান, তার নাতী আরমানের ৩ বছর বয়সী আরিয়ান নামে এক পুত্র সন্তান রয়েছে। নাতবৌ স্বপ্না বর্তমানে ৭ মাসের গর্ভবতী। এ ব্যাপারে মীরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনিসুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ এবং দূর্ঘটনায় কবলিত সিএনজিটি উদ্ধার করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
জ্ঞান বাড়াও, সমাজ গড়ো এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে কুমিল্লা সদর উপজেলার অরণ্যপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরন বিতরণও ক্রিড়া সামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠান গত ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটনএর সভাপতিত্বেঅনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সুশাসনের জন্য নাগরিক কুমিল্লার সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব শাহ মো. আলমগীর খান, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক আবুল বাসার খান, অরণ্যপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি শরিফ উদ্দিন আহম্মেদ, আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো: আবদুস সামাদ। আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী কাজী মহিবুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অরণ্যপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মৎ কামরুনাহার। শাহ মো. আলমগীর খান বলেন, শিক্ষা সামগ্রী উপহার দেওয়া মানে হলো একজন ব্যক্তিকে নতুন কিছু শেখার সুযোগ করে দেওয়া। শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করতে পারে, তার চিন্তাভাবনায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।মো: মহিউদ্দিন লিটন বলেন, নিজেকে পরিবর্তন করার জন্য সু-শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। মাতৃভূমি ও মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা জাগ্রত হয় এমন শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। সফল নাগরিক হওয়ার জন্য এখনি প্রস্তুতি নেওয়ার সময়। ভালো ফলাফলের পাশাপাশি ভালো মানুষ হতে হবে। মো: আবদুস সামাদ বলেন, শিক্ষা মানুষকে ভালো- মন্দের পার্থক্য করতে শেখায়। মানুষকে প্রকৃত মানুষ হতে শেখায়। তোমরা ও উচ্চশিক্ষিত হয়ে দেশ ও সমাজের মঙ্গলে কাজ করবে। তোমাদের পাশে আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশন আগামী দিনে থাকবে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজ সেবক শরিফ হোসেন, রাসেল সরকার, শফিউল বাসার খান, আবদুল কাদের বাবুল, আলমগীর হোসেন, মো. রনি হোসেন, মো. রবিউল আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের সদস্য ইব্রাহিম হাসান, আজিজুল ইসলাম, আবদুল কাদের জিলানী, অরণ্যপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক মোসাম্মঃ নাজমিন আক্তার, সুলতানা ফরিদা তাজমিন, মো. মাইনুল রশিদ,ফাহিমা ফারহানাসহ সকল শিক্ষার্থীরা।আলোচনা সভা শেষে সকল শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ব্যাগ, পেন্সিল, খাতাও কলম, জ্যামিতি বক্স, চিত্রাংকন খাতা. ড্রইয়ং পেন্সিল উপহার দেওয়া হয়। এ ছাড়া ও খেলাধুলার জন্য ফুটবল, কেরামবোর্ড, লুডু, দড়িলাফানি দেওয়া হয়।
কুমিল্লা মহানগরীর কান্দিরপাড় এলাকায় মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ভোক্তাদের প্রতারিত করা এবং খাদ্যপণ্যে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়ার নেতৃত্বে কান্দিরপাড় এলাকার বিভিন্ন ফুচকার দোকান, মিষ্টি ও কনফেকশনারি এবং শিশুখাদ্যের প্রতিষ্ঠানে এই তদারকি অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযান সূত্রে জানা যায়, কান্দিরপাড়ের 'দ্য প্রিমিয়াম স্ট্রিট ফুড বাই পিহু' নামক একটি প্রতিষ্ঠান "৯৯ টাকায় আনলিমিটেড ফুচকা" দেওয়ার মিথ্যা বিজ্ঞাপন প্রচার করে আসছিল। সরেজমিনে খেতে এসে সাধারণ ভোক্তারা প্রতারিত হচ্ছেন—এমন খবরের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এছাড়া মিষ্টির মূল্য তালিকা না রাখা, বিদেশি পণ্যে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য (এমআরপি) উল্লেখ না থাকা এবং জন্মদিনের কেকে উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদ না থাকার অপরাধে 'প্রিমিয়াম সুইটস'কে ২০ হাজার টাকা এবং 'পিপাসা কনফেকশনারি'কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া জানান, ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৭ ও ৪৪ ধারা অনুযায়ী ৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ২৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং ভেজাল ও অনিয়ম প্রতিরোধে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।অভিযানে নিরাপত্তা ও সার্বিক সহায়তায় ছিল কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম, জেলা স্যানিটেশন পরিদর্শক এবং ভোক্তা অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।আজ ২৭ সেপ্টেম্বর (রবিবার) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের আদর্শ সদর ও বুড়িচং উপজেলা এলাকায় এই তদারকিমূলক অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযান সূত্রে জানা যায়, আদর্শ সদর উপজেলার আমতলী বিশ্বরোড এলাকায় অতিরিক্ত দামে খাদ্যপণ্য বিক্রি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ বা তারিখবিহীন রসমালাই ও অন্যান্য খাবার বিক্রির অপরাধে 'কাকলি হোটেল অ্যান্ড সুইটস'-কে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অন্যদিকে, বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রসমালাই, মিষ্টিসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী তৈরি ও বিক্রির অপরাধে 'মাতৃভান্ডার সুইটস লি.'-কে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী এই জরিমানা আদায় করা হয়।অভিযানের নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া। তিনি জানান, জনস্বার্থে ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে মহাসড়ক সংলগ্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলোতে অধিদপ্তরের এই অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।অভিযানকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক সহযোগিতায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি বিশেষ টিম উপস্থিত ছিল।
স্পেনের সরকার উত্তর আফ্রিকার উপকূলীয় অঞ্চল সেউতা (Ceuta) থেকে অভিবাসী শিশুদের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মূল ভূখণ্ডে স্থানান্তরের আশা করছে। অতিরিক্ত চাপের মুখে থাকা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর সংকট কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্পেনের যুবমন্ত্রী সিরা রেগো শুক্রবার জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত সেউতায় ১ হাজার ৩৪২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিবাসীকে নিবন্ধন করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। গত ৩০ জুলাই মরক্কো থেকে স্থল ও সমুদ্রপথে বিপুলসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করে। স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়। পরে অধিকাংশ মানুষ ফিরে গেলেও শত শত অভিভাবকহীন শিশু সেউতায় রয়ে যায়। সিরা রেগো বলেন, “শিশুদের সেউতা থেকে মূল ভূখণ্ডে নিয়ে গিয়ে আশ্রয় দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে কয়েক সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে না।” তিনি জানান, অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে মেয়েশিশু এবং ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের। তিনি আরও বলেন, সেউতার রাস্তায় শিশুদের কষ্টকর অবস্থার ছবি “বেদনাদায়ক”। বর্তমানে সেখানে দুটি স্কুল চালু করা হয়েছে এবং আরও কিছু স্থানকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এদিকে মরক্কো জানিয়েছে, সেউতায় প্রবেশ করা অভিভাবকহীন শিশুদের ফিরিয়ে নিতে স্পেন ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তারা। তবে স্পেন জানিয়েছে, প্রতিটি শিশুর বিষয় আলাদাভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং শিশুদের অধিকার ও সর্বোত্তম স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেউতার স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তাদের সীমিত আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৯০ জন শিশুকে রাখার সক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেখানে প্রায় ১ হাজার ১০০ জন অভিভাবকহীন শিশু অবস্থান করছে। ছবি: রয়টার্স